জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বইছে নতুন রাজনৈতিক হাওয়া। ভোটের মাঠে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে শেষ মুহূর্তে বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তন এনেছে ১০ দলীয় জোট। এই আসনে জোটের একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বিশিষ্ট চিকিৎসক ও রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদকে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ছিল ইসলামী আন্দোলনের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে। কিন্তু জোটের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে শেষ পর্যন্ত ডা. জহিরের ওপরই ভরসা রাখছেন নীতিনির্ধারকরা। জোটের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ক্লিন ইমেজ এবং আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংকে ভাগ বসানোর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। মূলত খেলাফত মজলিস থেকে তাকে জোটের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ কেবল একজন চিকিৎসকই নন, তিনি রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশের ওপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব রয়েছে। জোট মনে করছে, ডা. জহিরকে প্রার্থী করার মাধ্যমে সরকারি দলের ভোটের একটি বড় অংশ নিজেদের পকেটে নেওয়া সম্ভব হবে। প্রার্থিতা নিশ্চিত হওয়ার পর ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “জোটের পক্ষ থেকে আমাকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এবং জোটের অন্যান্য প্রার্থীরা আগামীকাল তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেবেন।”
অন্যদিকে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান জানিয়েছেন, জোটের বৃহত্তর স্বার্থেই খেলাফত মজলিসের এই প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।