রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেটঃ
ক্ষুদ্র ভাবনা’র বড় প্রভাব: সাভারে জনসচেতনতায় শাহাদাতের অহিংস আন্দোলন। ​জিয়া সাইবার ফোর্স ঢাকা জেলা কমিটির অনুমোদন: তৃণমূল শক্তিশালী করার প্রত্যয়। প্রয়াত বেগম জিয়ার জন্য দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ঢাকা-১৯ আসনের নির্বাচনী সংগ্রাম। ৪৭ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলের নয়া চমক: নৌকার সাবেক নেতার কাঁধেই জোটের দায়িত্ব। গুম-খুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে বিএনপি, তারেক রহমানের সঙ্গে মতবিনিময় সাভারে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ। বিএনপির ঘোষণা: জাইমা রহমানের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি মেটা কর্তৃক ভেরিফাইড ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া সাইবার ফোর্সের ৬৮ সদস্যের কমিটি অনুমোদন ভোটের আগেই ক্ষমা ও প্রতিশ্রুতি—ঢাকা-১৮ আসনে ব্যতিক্রমী প্রচারে বিএনপি প্রার্থী

ক্ষমতার পালাবদল, মুখ বদলায়নি: আওয়ামী ছত্রছায়ার এনায়েত জামায়াতের টিকিটে

Coder Boss
  • Update Time : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৩ Time View

বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে ঢাকা-৭ আসনে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে রাজত্ব কায়েম করেছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম। এমপি থাকা অবস্থায় পুরান ঢাকার বিস্তীর্ণ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও নিজ পরিবারের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে প্রশাসন, ব্যবসা ও রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জমি দখল, চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই হাজী সেলিম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আলোচিত।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা হারানোর পর একাধিক মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন হাজী সেলিম। তবে কারাগারে থেকেও ঢাকা-৭ রাজনীতিতে তার প্রভাব যে শেষ হয়নি, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে।

এবার নিজে প্রকাশ্যে না থাকলেও হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে সামনে এনে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন তিনি। ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন হাফেজ হাজী মুহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ। এই মনোনয়ন ঘিরেই এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এনায়েত উল্লাহ দীর্ঘদিন আওয়ামী সরকারের ছত্রছায়ায় থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব বিস্তার করেছেন। পুরান ঢাকার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সংগঠন মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির দায়িত্বে থাকা এনায়েতের উত্থান হাজী সেলিমের প্রত্যক্ষ অনুকম্পা ছাড়া সম্ভব ছিল না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

একসময় আওয়ামী লীগ পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানো সেই এনায়েত উল্লাহ এখন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে। আওয়ামী দুঃশাসনের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তিকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দেখায় স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অস্বস্তি ও প্রশ্ন—রাজনৈতিক আদর্শ বদলালেও কি ক্ষমতার সহযোগীদের চরিত্র বদলায়?

ঢাকা-৭ আসনে এনায়েত উল্লাহর প্রার্থিতা এখন কেবল একটি নির্বাচন নয়, বরং পুরনো দুঃশাসনের নতুন মোড়কে ফেরার আশঙ্কা হিসেবেই দেখছেন অনেক ভোটার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
©ziacyberforce.com
themesba-lates1749691102