নিজস্ব প্রতিবেদক সাভার,ঢাকা
বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৫
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য আরিফ আহমদ (সহকারী পরিচালক, দুদক ঢাকা অঞ্চল-২) দলের সদস্য: উপ-সহকারী পরিচালক বিলকিস বানু, কনস্টেবল রাসেল/সোহেল রানা দুদক কর্মকর্তারা সাধারণ রোগী সেজে হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। দুদক কর্মকর্তারা সরেজমিনে বেশ কয়েকটি গুরুতর অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেয়েছেনউপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ডা. তৌহিদ আল হাসান) সহ কয়েকজন কর্মকর্তা ও চিকিৎসককে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডিজি অফিসে মিটিংয়ে আছেন বলে জানান। দুদক দল অনুপস্থিতদের বায়োমেট্রিক হাজিরার তালিকা সংগ্রহ করেছে। ব্যাপক অপরিচ্ছন্নতা হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর, বিশেষ করে টয়লেট সহ পুরো পরিবেশ ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা। দুদক কর্মকর্তা হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এটিকে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের মধ্যে অনুপযুক্ত বলে মন্তব্য করেন। দায়িত্বরত কর্মীদের দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়। নোকো কোনো ক্ষেত্রে টিকেট বিক্রির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাসপাতালের ক্লিনারের দ্বারা পরিচালিত হতে দেখা যায়। অভিযোগ ছিল টিকিট কাটা ও ওষুধ বিতরণে টাকা নেওয়ার, কিন্তু দুদক কর্মকর্তা নিজে রোগী সেজে পরীক্ষা করে দেখেন যে টিকেট কাটা ও ওষুধ বিতরণে সরাসরি উল্লেখযোগ্য কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।দুদক সহকারী পরিচালক আরিফ আহমদ জানান: বিষয়গুলো আমরা আমলে নিয়েছি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ইলেক্ট্রনিক হাজিরার কপি নিয়েছি।এসব বিষয়গুলো নিয়েই আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।”