সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
আপডেটঃ
ক্ষুদ্র ভাবনা’র বড় প্রভাব: সাভারে জনসচেতনতায় শাহাদাতের অহিংস আন্দোলন। ​জিয়া সাইবার ফোর্স ঢাকা জেলা কমিটির অনুমোদন: তৃণমূল শক্তিশালী করার প্রত্যয়। প্রয়াত বেগম জিয়ার জন্য দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ঢাকা-১৯ আসনের নির্বাচনী সংগ্রাম। ৪৭ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলের নয়া চমক: নৌকার সাবেক নেতার কাঁধেই জোটের দায়িত্ব। গুম-খুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে বিএনপি, তারেক রহমানের সঙ্গে মতবিনিময় সাভারে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ। বিএনপির ঘোষণা: জাইমা রহমানের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি মেটা কর্তৃক ভেরিফাইড ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া সাইবার ফোর্সের ৬৮ সদস্যের কমিটি অনুমোদন ভোটের আগেই ক্ষমা ও প্রতিশ্রুতি—ঢাকা-১৮ আসনে ব্যতিক্রমী প্রচারে বিএনপি প্রার্থী

রাস্তায় নয়, নারী সঙ্গীর বাসায় গুলিবিদ্ধ এনসিপি নেতা।

Coder Boss
  • Update Time : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা মোতালেব শিকদারের ওপর হামলার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ উঠলেও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঁদাবাজির অর্থ ভাগাভাগি এবং ব্যক্তিগত অনৈতিক জীবনযাপনের চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুরুতে রাস্তায় হামলার নাটক সাজানো হলেও পুলিশ নিশ্চিত করেছে, ঘটনাটি ঘটেছে তাঁর এক নারী সঙ্গীর বাসায়। সোমবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোতালেব শিকদারকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। শুরুতে দাবি করা হয়েছিল, সোনাডাঙ্গা এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাঁর মাথায় গুলি করে পালিয়ে গেছে। তবে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) দ্রুত তদন্তে নেমে দেখতে পায়, হামলার প্রকৃত স্থান সোনাডাঙ্গার আল আকসা মসজিদ রোডের ‘মুক্তা হাউজ’।

​সেখানে এনসিপি নেতা মোতালেব তাঁর নারী সঙ্গী তন্বীর সাথে গত দুই মাস ধরে বসবাস করে আসছিলেন। তন্বী নিজেকে এনজিও কর্মী পরিচয় দিয়ে বাসাটি ভাড়া নিলেও সেখানে নিয়মিত অসামাজিক কার্যকলাপ চলত বলে অভিযোগ উঠেছে। ​ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ যে আলামত জব্দ করেছে, তা অপরাধের গভীরতা স্পষ্ট করে তুলেছে। জব্দকৃত তালিকার মধ্যে রয়েছে:

​৫টি বিদেশি মদের খালি বোতল ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম। পিস্তলের গুলির একটি খোসা। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নানা প্রমাণ। ​কেএমপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, মোতালেব শিকদার খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’র অনুসারী সৌরভের সাথে মিলে চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে চাঁদার টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই কোন্দলের জেরেই ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, হামলার আগের রাতেও দুজন ব্যক্তি ওই বাসায় অবস্থান করেছিলেন। কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম জানান, “প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। এটি মাদক এবং অভ্যন্তরীণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জের হতে পারে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।” ​এদিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মোতালেব শিকদার এখন আশঙ্কামুক্ত। তাঁর সিটি স্ক্যান রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে এবং বর্তমানে তিনি সার্জারি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। ​বাড়িওয়ালা মালিকের স্ত্রী আশরাফুন্নাহার জানান, তন্বী নামে ওই নারী এক মাস আগে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে চলতি মাসেই বাসা ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাসা ছাড়ার আগেই এই রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
©ziacyberforce.com
themesba-lates1749691102