বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
আপডেটঃ
মিলন ও অমৃতের হাত ধরে শক্তিশালী হচ্ছে জয়পুরহাট জেলা জিয়া সাইবার ফোর্স ফরিদপুরে দখলবাজ শিউলী আক্তারদের কারণে কি দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। ​পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দৈনিক ভোরের খবরের সাংবাদিক আলামিন-এর শুভেচ্ছা। সাভারে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল জনতা: সাজু ও মুরাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। ৩০০ আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী হবেন সালাউদ্দিন বাবু’—সাভারে খোরশেদ আলমের দাবি। সাভারে প্রথা ভাঙা প্রচারণায় আলোচনায় গণঅধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য প্রার্থী ফরহাদ। সাভার-আশুলিয়ায় গণ অধিকার পরিষদের গণসংযোগ: আলোচনায় তরুণ প্রার্থী এ্যাড শেখ শওকত হোসেন ফরহাদ। গাজীপুর-২ আসনে ভোটের লড়াই জমছে: জরিপে এগিয়ে রনি, অনিশ্চয়তায় ২০ শতাংশ ভোটার ক্ষুদ্র ভাবনা’র বড় প্রভাব: সাভারে জনসচেতনতায় শাহাদাতের অহিংস আন্দোলন। ​জিয়া সাইবার ফোর্স ঢাকা জেলা কমিটির অনুমোদন: তৃণমূল শক্তিশালী করার প্রত্যয়।

ভারসাম্যহীন যুবককে পিটিয়ে হত্যা, ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা করবে ঢাবি ঢাবি প্রতিনিধি

Coder Boss
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৬৫ Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে আটক তোফাজ্জল (৩০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত তোফাজ্জল প্রেমসংক্রান্ত ব্যাপারে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।কিছুদিনের মধ্যেই তোফাজ্জলের মা, বাবা ও একমাত্র বড় ভাই মারা যান। যার কারণে পরিবার ও অভিভাবকহীন হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতেন তোফাজ্জল। মানসিক ভারসাম্য হারানোর আগে তোফাজ্জল পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন বলে জানা যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দফায় দফায় পিটিয়ে হত্যার আগে তাকে ভাত খেতে দিয়েছিলেন হলের শিক্ষার্থীরা। নিহত তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটার কাঠালতলি ইউনিয়নে। তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানা গেছে।

হল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় চোর সন্দেহে তোফাজ্জলকে আটকের পর গেস্টরুমে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। সেখানে তাকে রাত ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় মারধর করেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে ওই যুবককে ক্যান্টিনে বসিয়ে ভাতও খাওয়ানো হয়। এরপর পুনরায় মারধর করা হয়।

এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শিক্ষার্থীরাই ঢাকা মেডিকেলে কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর পরপরই লাশ রেখে শিক্ষার্থীরা হাসপাতাল থেকে যে যার মতো চলে যান।

ঢাকা মেডিকেলে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, শিক্ষার্থীরা রাত বারোটার একটু পরে এই লোককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এরপর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করলে সেই শিক্ষার্থীদের আর পাওয়া যায়নি।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, লাশ ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি শাহবাগ থানাকে অবগত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ক্যাম্পাসের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। কেউ চুরি করতে আসলেও তাকে পিটিয়ে হত্যার অধিকার কারো নেই। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দায়ীদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় হলের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
©ziacyberforce.com
themesba-lates1749691102